ঢাকাSaturday , 9 February 2019
  1. Correspondent
  2. English News
  3. আজকের ময়মনসিংহ
  4. আদালত
  5. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. এক্সক্লুসিভ ময়মনসিংহ
  8. করোনা আপডেট
  9. করোনায় সহযোগীতা
  10. খেলার সংবাদ
  11. চাকুরী
  12. ছবি গ্যালারী
  13. জাতীয় অহংকার
  14. জাতীয় নির্বাচন ২০১৮
  15. জাতীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিনেমা স্টাইলে নববধূ তুলে আনতে যাওয়া সবাই ছাত্রলীগ কর্মী

Link Copied!

বৌ-ভাত অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে নববধূকে উঠিয়ে আনার চেষ্ঠাকারী সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বুড়িচং উপজেলার নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগের এই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

এদিকে, শুক্রবার বিয়েবাড়িতে হামলার সময় ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি বলেন, সংগঠনের শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার কারণে জেলা ছাত্রলীগের এক জরুরি সভায় জেলার বুড়িচং উপজেলার নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ইসমাইলের নেতৃত্বে নববধূকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ঘটনায় জড়িত সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দেবিদ্বার উপজেলার সূর্যপুর গ্রামের জাকির ফরাজীর মেয়ে ফাতেমা আক্তারের (১৯) সাথে ১ ফেব্রুয়ারি একই উপজেলার সাহারপাড় গ্রামের মো. ইউনুছের ছেলে ছিদ্দিকুর রহমানের (২৫) বিয়ে হয়। শুক্রবার বরের বাড়িতে বৌভাতের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দুপুর আড়াইটার দিকে নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ইসমাইলের নেতৃত্বে ২৫-৩০ নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। তারা অনুষ্ঠানের লোকজনকে মারধর করে নববধূকে তুলে নেয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিসহ স্থানীয় লোকজন তাদের ঘিরে ফেলে।

ওই সময় ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল ও ছাত্রলীগ নেতা সাকিব পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও স্থানীয় জনতা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গণপিটুনি দিয়ে জাফর হোসেন (১৮), সজিব পাল (১৮), কাউছার আহম্মেদ (২০), আলী হোসেন (২০), মেহেদী হাসান (১৮), মো. আলম (২২) ও নাইদুল ইসলামকে (১৮) পুলিশে সোপর্দ করে।

নববধূর বাবা জাকির ফরাজী বলেন, ফাতেমা আক্তার নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করত। ১ ফেব্রুয়ারি ফাতেমার বিয়ের খবর পেয়ে একাধিকবার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছি আমি। এরপরও দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে বিয়েবাড়িতে হামলা চালায় ইসমাইল।

দেবিদ্বার থানা পুলিশের ওসি জহিরুল আনোয়ার বলেন, গ্রেফতারকৃত সাতজন ছাড়াও হামলায় নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল ও তার সহযোগী সাকিবসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার তাদের রিমান্ড শুনানি হবে।

এই নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত নিউজগুলো বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও ব্যবহার করা বেআইনি।
taraftarium24selcuksportsjustin tvcanlı maç izletaraftarium24 güncel adrestaraftarium24