ঢাকাSunday , 7 June 2026
  1. Correspondent
  2. English News
  3. আজকের ময়মনসিংহ
  4. আদালত
  5. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. এক্সক্লুসিভ ময়মনসিংহ
  8. করোনা আপডেট
  9. করোনায় সহযোগীতা
  10. খেলার সংবাদ
  11. চাকুরী
  12. ছবি গ্যালারী
  13. জাতীয় অহংকার
  14. জাতীয় নির্বাচন ২০১৮
  15. জাতীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ময়মনসিংহ ডিসি অফিসে দুই বিএনপি নেতার হাতাহাতি, আহত কর্মচারী

Link Copied!

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে দুই বিএনপি নেতার মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ধস্তাধস্তির মধ্যে একটি ফুলের টব ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী আহত হয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে জেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় জেলা প্রশাসকের কক্ষ থেকে বের হচ্ছিলেন গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব হাফেজ আজিজুল হক। একই সময়ে ডিসির কক্ষে প্রবেশ করছিলেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন। একপর্যায়ে দু’জন মুখোমুখি হলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তোফাজ্জল হোসেন হাফেজ আজিজুল হককে ‘বহিষ্কৃত’ ও ‘দালাল’ বলে কটূক্তি করেন। এর জবাবে হাফেজ আজিজুল হকও পাল্টা গালিগালাজ করেন। পরে তর্কাতর্কি থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি ও চড়-থাপ্পড়ের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে হাফেজ আজিজুল হক ডিসি কার্যালয়ের বারান্দায় থাকা একটি ফুলের টব তুলে তোফাজ্জল হোসেনকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা দ্রুত হস্তক্ষেপ করলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

ঘটনার সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা প্রশাসকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য মো. জাকির হোসেনসহ উপস্থিত ব্যক্তিরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় ধস্তাধস্তির মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী জনি (৩০) হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

ঘটনার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে হাফেজ আজিজুল হক ও তোফাজ্জল হোসেন উভয়েই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সাইফুর রহমান বলেন, “হঠাৎ এ ধরনের ঘটনার সূত্রপাত হওয়ায় আমিসহ উপস্থিত সবাই বিব্রত হয়েছি। সরকারি দপ্তরে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে এমন কর্মকাণ্ড প্রত্যাশিত নয়।”

এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রকাশ্যে দুই বিএনপি নেতার সংঘর্ষের ঘটনায় বিব্রতবোধ করছেন দলটির স্থানীয় নেতারাও। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এই নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত নিউজগুলো বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও ব্যবহার করা বেআইনি।