লকডাউন: ফরিদপুরে ব্যাপক সংঘর্ষ, পুলিশের গুলিতে নিহত ১

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাছে ফরিদপুরের সালথায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় লকডাউন কার্যকর করা নিয়ে পুলিশের সাথে স্থানীয় একদল ব্যক্তির সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে।

পুলিশ বলছে, সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে উপজেলা সহকারি কমিশনারের (ভূমি) পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা বলেন, রাত আটটা থেকে সাড়ে আটটার দিকে সালথা থানার এসি-ল্যান্ড ফোকরা বাজারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি একটি মুদি দোকান বন্ধ করতে বলেন।

“এটা নিয়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এসি ল্যান্ড এবং তার সাথে থাকা লোকজনদের ধাওয়া করে। এসি ল্যান্ড পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সেখানে গেলে স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষ হয়”।

এ সংঘর্ষে একজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরে পুলিশ সদস্যরা আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করার জন্য গেলে এলাকার লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

“এক পর্যায়ে এখানকার কয়েক হাজার মানুষ সালথা থানা, উপজেলা পরিষদের অফিস ঘেরাও করে। অফিসের ইটপাটকেল ছোড়ে, উপজেলা নির্বাহী অফিসে ঢুকে ভাংচুর করে, দুইটি গাড়িতে আগুন দিয়ে দেয়, সালথা থানার পিছনের দিকে অগ্নিসংযোগ করে”।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে সোমবার থেকে যে লকডাউন শুরু হয়েছে বাংলাদেশে শুরু থেকেই তার বিরোধীতা করছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।

রবিবার ঢাকার একাধিক স্থানে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ হয়। ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও যানবাহন ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

সোমবারও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করেছে বলে খবর আসে।

তবে শেষ পর্যন্ত ফরিদপুরের সালথার এই বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষের ঘটনাটিতে প্রানহানীর ঘটনা ঘটলো।

Share this post

scroll to top