ঢাকাSunday , 28 April 2019
  1. Correspondent
  2. English News
  3. আজকের ময়মনসিংহ
  4. আদালত
  5. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. এক্সক্লুসিভ ময়মনসিংহ
  8. করোনা আপডেট
  9. করোনায় সহযোগীতা
  10. খেলার সংবাদ
  11. চাকুরী
  12. ছবি গ্যালারী
  13. জাতীয় অহংকার
  14. জাতীয় নির্বাচন ২০১৮
  15. জাতীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘বিজেপি নেতার অভিশাপেই তো শেষ হয়ে যেতেন মাসউদ আজহার’

Link Copied!

লোকসভা নির্বাচনে ভারতের ভুপাল থেকে দাঁড়ানো বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা দাবি করেছিলেন, মহারাষ্ট্র সন্ত্রাস দমন শাখার প্রধান হেমন্ত কারকারে তার অভিশাপেই মারা গিয়েছিলেন। তার এই মন্তব্যে ব্যাপক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। এবার সেই মন্তব্যের জের ধরে তাকে খোঁচা দিয়েছেন কংগ্রেসের এক প্রার্থী।

ভুপালে কংগ্রেসের প্রার্থী দিগি¦জয় সিং বলছেন, অভিশাপ দিয়েই যখন তিনি মানুষকে শেষ করে দিতে পারেন, তখন তিনি তো জইশপ্রধান মাসউদ আজহারকেও অভিশাপ দিতে পারতেন৷ তাহলে খামোকা আর বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করতে হত না ভারতকে।

গতকাল শনিবার ভুপালের একটি নির্বাচনী জনসভায় এ বক্তব্য দেন দিগি¦জয় সিং। ঠাট্টার সুরে তিনি বলেন, সাধ্বী বলেছেন তার অভিশাপে হেমন্ত কারকারে মারা যান। যদি সত্যি তা হয়ে থাকে তাহলে সাধ্বী মাসউদ আজহারকেও অভিশাপ দিতে পারতেন। তাহলে কোনো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে হত না।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ভয়াবহ মুম্বাই হামলায় নিহত হয়েছিলেন মহারাষ্ট্র সন্ত্রাস দমন শাখার (এটিএস) প্রধান হেমন্ত কারকারে, মেজর সন্দীপ উন্নিকৃষ্ণন, মুম্বাইয়ের অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার অশোক কামতে এবং সিনিয়র পুলিশ ইন্সপেক্টর বিজয় সালাসকর।

সেই ঘটনার উল্লেখ করে সাধ্বী প্রজ্ঞা বলেছিলেন, ওই হামলার কিছুদিন আগেই হেমন্ত কারকারেকে তিনি অভিশাপ দেন। আর সেই অভিশাপই ফলে গিয়েছিল হেমন্ত কারকারের জীবনে। সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যু হয়েছিল তার। আর সাধ্বীর এই অভিশাপের কারণ ছিল, জেলে থাকার সময় তাকে প্রচুর পুলিশি নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছিল। তারই জেরে তিনি এই অভিশাপ দেন। সে যাই হোক বিজেপি এই নেতার দাবি নিয়ে রীতিমতো বিতর্ক তৈরি হয়।

কারণ সন্ত্রাসী হামলা মোকাবেলা করতে গিয়ে নিহত হওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে এ ধরনের নিম্ন মানের মন্তব্য কী করে কেউ বিশেষ করে কোনো প্রার্থী করতে পারে? বিজেপি বিরোধী দলগুলো তার এ মন্তব্যের ব্যাপক সমালোচনা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়ে বিজেপি।

এতে ওই মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চান সাধ্বী। তবে এর পেছনে নিজের মতো করে কৈফিয়ত দেন তিনি। তিনি বলেন, হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে তার মন্তব্যে সুবিধা হতে পারে শত্রু দেশের। তাই মন্তব্য ফিরিয়ে নিচ্ছেন তিনি৷ তবে জেলে থাকার সমন পুলিশি অত্যাচারের যে অভিযোগ তিনি এনেছিলেন তা থেকে সরছেন না। তিনি বলেন, ওটা আমার ব্যক্তিগত যন্ত্রণার জায়গা।

এই নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত নিউজগুলো বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও ব্যবহার করা বেআইনি।