ইলেকশন নয়, জেনারেশনের (প্রজন্ম) দিকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। কোভিড-১৯ পরবর্তী নতুন পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিতে ১৬টি অ্যাকশন পয়েন্ট, ৯০টি অ্যাকশন এজেন্ডা চিহ্নিত করে একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। কোভিড পরবর্তী করণীয় বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ তথ্যও জানানো হয়।
প্রতিমন্ত্রী ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে ‘কোভিড পরবর্তী রোডম্যাপ’ বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী প্রণীত এই রোডম্যাপে অংশীদারিত্বের জায়গা আরও সম্প্রসারণ করে সরকার, ইন্ডাস্ট্রি, অ্যাকাডেমিয়া এবং সুশীল সমাজকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর আত্ম-নির্ভরশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে এই রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়।
ইলেকশন নয়, জেনারেশনের দিকে দৃষ্টি দিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সিদ্ধান্ত নেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড পরবর্তী বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে আমরা অবশ্যই আত্ম-নির্ভরশীল হলেও আত্মকেন্দ্রিক হবো না। বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ বন্ধ করবো না। আর এই লক্ষ্য নিয়েই এই রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, রোডম্যাপ অনুযায়ী এই পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য ডেটা প্রাইভেসি ও প্রোটেকশন অ্যান্ড লোকালাইজেশন আইন, স্টার্টআপ পলিসি, দক্ষতা তৈরির ম্যাপিং প্রণয়ন এবং তরুণ ও নারীদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিতে অন্তর্ভূক্তির জন্য প্রস্তাব করা করা হবে।
আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও সংযুক্ত ছিলেন মন্ত্রিপরষদ বিভাগের সচিব কামাল হোসেন, এটুআই উপদেষ্টা আনির চৌধুরী, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, স্টার্টআপ বাংলাদেশের উপদেষ্টা টিনা জাবিন প্রমুখ। এলআইসিটি উপদেষ্টা সামি আহমেদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।