ঢাকাSaturday , 2 March 2019
  1. Correspondent
  2. English News
  3. আজকের ময়মনসিংহ
  4. আদালত
  5. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. এক্সক্লুসিভ ময়মনসিংহ
  8. করোনা আপডেট
  9. করোনায় সহযোগীতা
  10. খেলার সংবাদ
  11. চাকুরী
  12. ছবি গ্যালারী
  13. জাতীয় অহংকার
  14. জাতীয় নির্বাচন ২০১৮
  15. জাতীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অভিনব উপায়ে প্রতারণা করত তারা

Link Copied!

ইন্টারনেট টাওয়ার স্থাপনসহ ও নিত্য নতুন প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপরাধে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শুক্রবার রাতে রাজধানীর মিরপুর, দারুস সালম, উত্তরা ও রামপুরায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীর লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং এর পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান এসব বিষয় জানিয়েছেন।

মাহমুদ খান বলেন, প্রতারক চক্রটি সরকারি, বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের টার্গেট করে অল্প পুজিঁতে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। এক্ষেত্রে তারা নিজেদের জেবি ইন্টারনেট টাওয়ার (জাপান-বাংলাদেশ), জেবি শিপ ব্রেকার্স, নাহার এন্টারপ্রাইজ, অন্যদা গ্রুপ, এ এইচ ইলেকট্রনিক্স, আল-বারাকা ইন্টারনেট স্পিড, ব্রাদার্স ইন্টারনেট ইত্যাদি নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করতো। তিনি বলেন, চক্রটি নিজের মধ্যে পরিচিতির জন্য সাংকেতিক কোড হিসেবে নিজেদের আর সি ডি গ্রুপের লোক বলে পরিচয় দিত। আবার তাদের প্রতারণার সুবিধার জন্য বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কাজ করতো। এক একটি গ্রুপে ৫টি স্তরের সদস্য থাকতো।

প্রতারণার কৌশলের বিষয় সম্পর্কে জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের জমি বা নির্মাণাধীন ভবনের উপর ইন্টারনেট টাওয়ার স্থাপনের টোপ দিয়ে অফিসিয়ালি চিঠি পাঠাতো চক্রটি। পরে অফিসের বসের সাথে ওই বিষয়ে কথা বলার জন্য জন্য ফোন নম্বর দিয়ে যোগযাযোগ করে এক পর্যায়ে অফিসে নিয়ে আসতো।

এছাড়া তারা বিনা খরচে সৌর প্যানেল বসিয়ে দেয়া, পতিত জমিতে দালান নির্মাণ করে দেয়া, তাতঁ ব্যবসায়ীদের বড় ধরণের অর্ডারের ফাঁদে ফেলে রং ও সুতা সরবরাহের কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়ার মতো কাজ করতো।

এক প্রশ্নের জবাবে মুফতি মাহমুদ খান বলেন, মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করতো তাদের সাব ব্রোকার বলে ডাকা হতো। এছাড়া ব্রোকার, ম্যানেজার, চেয়ারম্যান ও বসের পদ ছিল তাদের চক্রে। কোন স্থানে প্রতারণার পর দ্রুত অফিস সরিয়ে ফেলতো। পরে অন্য একটি নতুন স্থানে গিয়ে একই কাজ শুরু করতো। গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে চক্রটি মাসিক ভাড়ায় নামী দামী ব্রান্ডের গাড়ি প্রতারণার কাজে ব্যবহার করতো বলেও জানিয়েছেন মুফতি মাহমুদ খান।

এছাড়া বারেক হাজি নামে প্রতারক চক্রের প্রথম সারির একজন নেতাকে খোঁজা হচ্ছে বলে র‌্যাব সুত্র জানিয়েছে।

এই নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত নিউজগুলো বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও ব্যবহার করা বেআইনি।