ঢাকাMonday , 7 June 2021
  1. Correspondent
  2. English News
  3. আজকের ময়মনসিংহ
  4. আদালত
  5. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. এক্সক্লুসিভ ময়মনসিংহ
  8. করোনা আপডেট
  9. করোনায় সহযোগীতা
  10. খেলার সংবাদ
  11. চাকুরী
  12. ছবি গ্যালারী
  13. জাতীয় অহংকার
  14. জাতীয় নির্বাচন ২০১৮
  15. জাতীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খালের মাটি ইটভাটায় বিক্রি করে দিলেন ডিসি!

Link Copied!

মাগুরায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খননরত এমডি খালের মাটি স্থানীয় তিন ইটভাটার কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন মাগুরা জেলা প্রশাসক। আর জেলা প্রশাসনের লিখিত অনুমোদন পেয়েই ওই ভাটা মালিকেরা সরকারি কোষাগারে কোনো প্রকার অর্থ জমা না করেই ইচ্ছে মাফিক মাটি নিয়ে জমা করছে ভাটায়।

এ নিয়ে মাগুরা জেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে টানাপোড়নের সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারি স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে মনে করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে ক্রয় বিক্রয়ের হিসাব দাবি করে লিখিত পত্র দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিগত সময়ে খননকৃত নদী-খালের মাটি বিক্রির টাকার হিসাব চেয়েছে জেলা প্রশাসন।

মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় বিনোদপুর, রাজাপুর, বালিদিয়া এবং বাবুখালি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এমডি খাল। স্থানীয়রা যেটিকে কাচিকাটা খাল কোথায় নারানপুর খাল বলেও জানে।

পটুয়াখালীর মেসার্স আবুল কালাম আজাদ এন্ড মিজানুর আলম জেবি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মাগুরার তিন ঠিকাদার প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের এই খালটি খনন করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ খনন কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। কিন্তু মাগুরা জেলা প্রশাসক একক সিদ্ধান্তে খননকৃত খালপাড়ে জমাকৃত মাটি প্রতি ঘন মিটার ১০ টাকা হারে স্থানীয় ফাইভ স্টার ব্রিকস, সোয়েব ব্রিকস এবং মোল্যা ব্রিকসের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।

মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন বলেন, পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই জেলা প্রশাসক খননরত খালের মাটি বিক্রি করে দিয়েছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই মাটি বিক্রির ঘটনায় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে ভাটা মালিকরা ইচ্ছে মতো মাটি সরিয়ে নিলেও এই খাত থেকে সরকারি কোষাগারে কোনো অর্থও জমা পড়েনি। কোনো হিসাবও নেই। যে কারণে এটি বন্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত পত্র দেয়া হয়েছে।

সরজমিনে খননরত খাল এলাকায় গিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবির সত্যতা পাওয়া গেছে। অন্যদিকে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে মাটি ক্রেতা ভাটা মালিকরাও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

এদিকে ইটভাটা মালিকদের কাছে মাটি বিক্রি এবং আর্থিক হিসাব প্রসঙ্গে মাগুরা জেলা প্রশাসক ডক্টর আশরাফুল আলম বলেন, নদী খাল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের। কিন্তু ভূমি কিংবা মাটির মালিক তারা নয়। কয়েক বছরের মধ্যে অন্তত ৩০টি খাল খনন করা হয়েছে। নদী খনন করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকার কাজের মাটি বিক্রি করা হলেও তার হিসাব নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সেই হিসাব দিতে হবে।

প্রয়োজনে ভাটা মালিকদের বিনামূল্যে মাটি দিয়ে দেয়া হবে। এতে করে কৃষিজমি খনন বন্ধ হয়ে যাবে বলেও জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন।  সূত্রঃ যুগান্তর

এই নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত নিউজগুলো বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও ব্যবহার করা বেআইনি।
taraftarium24selcuksportsjustin tvcanlı maç izletaraftarium24 güncel adrestaraftarium24