স্বপ্ন দেখেছিলাম স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক ভূমি মন্ত্রণালয় গঠন করে দেশের মানুষকে সেবা দেবো। দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পর মনে হচ্ছে আমারা সেই দিকেই অগ্রসর হচ্ছি।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ভূমি মন্ত্রণালয় ঠিক পথেই অগ্রসর হচ্ছে।
রোববার (১৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারীর সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়া এবং তিনি ও তার দল জাতীয় পর্যায়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২০’ অর্জন করায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী একথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, এখনো মাঠ পর্যায়ে যেসব সমস্যা আছে আমি আশা করি ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনের পর তা থাকবে না। কেননা সিস্টেমই তখন অনিয়ম করতে দেবে না।
এসময় সাইফুজ্জামান চৌধুরী ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারীকে অত্যন্ত দক্ষ সিভিল সার্ভিস অফিসার হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি সিনিয়র সচিব ও তার দলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
পুরস্কার জয়ী মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারীর দলের অন্য সদস্যরা হলেন- ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. তসলীমুল ইসলাম, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, এটুআই প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশন মনিটরিং সেলের প্রধান ও ভূমি সচিবের একান্ত সচিব মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন। অনলাইন খতিয়ান ও ডিজিটাল রেকর্ড রুম তৈরির উদ্যোগ নেওয়ায় তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ী দলের সদস্যরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান উম্মুল হাছনা, ভূমি সংস্কার বোর্ডের সদস্য বেগম যাহিদা খানমসহ ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাভুক্ত দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
এর আগে গত শনিবার ১২ ডিসেম্বর সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটোরিয়ামে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস, ২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির পক্ষে বিজয়ীদের পদক ও সনদ তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।