• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

শিগগিরই অনলাইনে যাচ্ছে ৪৬ বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব সংবাদদাতা১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২০

করোনার প্রভাবে এখনো ক্লাসের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ২৮ লাখ শিক্ষার্থী। তবে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে শিগগিরই অনলাইনে যাচ্ছে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এক সভায় সব পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়কে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস চালুর নির্দেশনা দিয়েছে। একই সাথে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট খরচ কমানো বা ফ্রি করার বিষয়েও ইতিবাচক একটি সিদ্ধান্ত নেয়ার চিন্তা করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের প্রভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনার বাইরে। বেসরকারি পর্যায়ের বেশ কিছু বিশ^বিদ্যালয় অনলাইনে ক্লাস শুরু করতে পারলেও বেশির ভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোও তাদের ক্লাস শুরু করতে পারেনি। তবে গত ২৫ জুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে ইউজিসির ভার্চুয়াল সভার পর পাবলিক বিশ^বিদ্যায়লগুলো শিগগিরই অনলাইনে তাদের পাঠদানকার্যক্রম শুরু করতে সম্মতি জানিয়েছে বলে জানা গেছে।

এ দিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ও করোনার কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় অচলাবস্থার কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় সেশনজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য ৪৬ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে গত ২৫ জুন ভার্চুয়াল বৈঠকে বসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

ইউজিসির সদস্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর গতকাল সোমবার  জানান, নানা সীমাবদ্ধতার কারণে পাবলিক বিশ^বিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে পারছিল না। এখন বিকল্প পন্থায় বিশেষ করে অনলাইনে কিভাবে তাদেরকে শিক্ষার মূল ¯্রােতধারায় ফেরানো যায় সেই লক্ষ্যেই ভিসিদের সাথে বৈঠক করা হয়েছে। দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ক্লাসের বিষয়ে ভিসিদের সাথে সভা হয়েছে। তারা সবাই অনলাইনে ক্লাসের ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
ইউজিসি সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীদের সেশনজটের কবল থেকে রক্ষা করতে ইউজিসির পক্ষ থেকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম শুরুর প্রতি জোর দেয়া হয়। সভায় ভিসিদের উদ্দেশে বলা হয়, করোনার কারণে যেহেতু শ্রেণিকক্ষে ক্লাস শুরু করা যাচ্ছে না তাই দ্রুততার মধ্যে অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করতে বলা হয়েছে। ইউজিসির এ প্রস্তাবে প্রায় সবাই একমত হয়েছেন। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান কিছু সমস্যা রয়েছে সেসব কিভাবে সমাধান করা সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা করে মতামত দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ জানান, করোনা পরিস্থিতিতে সেশনজট থেকে রক্ষা করতে ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, শিক্ষার্থীদের আর ক্লাসের বাইরে রাখা যাবে না। তাই এখনি অনলাইনে ক্লাস নেয়া শুরু করতে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেটের বিশেষ প্যাকেজ দেয়ারও চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। আর এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দেয়া হয়েছে।

ইউজিসির বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, অনলাইন ক্লাস শুরু করার ক্ষেত্রে বৈঠকে ভিসিরা বেশ কয়েকটি সমস্যা তুলে ধরেন। এর মধ্যে আছে, সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ নেই। ল্যাপটপের বিকল্প হিসেবে স্মার্টফোনেও ক্লাস নেয়া যায়। কিন্তু ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থীর তাও নেই। সারা দেশে সব স্থানে ইন্টারনেটের গতি কম। আবার সব স্থানে ইন্টারনেট সংযোগ থাকে না। অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের দরও একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। এ ছাড়া বিশ^বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক ভার্চুয়াল ক্লাস নেয়ার ব্যাপারে অভ্যস্তও নন বলে জানানো হয় সভায়।

নিউজটি শেয়ার করুন:
Digital-Mymensingh-Advertisement

লাইভ

sadman Travels Mymensingh LiveAdd-1200x70Mymensingh-IT-Park-Advert
rss goolge-plus twitter facebook
Developed by

যোগাযোগ

সেলফোন : ০১৩০৪-১৯৭৭৪৪

ই-মেইল: mymensinghlive@gmail.com,
ময়মনসিংহ লাইভ পোর্টালটি mymensingh.News নিউজ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

সম্পাদক ও প্রকাশক

মো. আব্দুল কাইয়ুম

টপ
error: প্রিয়জন; আপনি লেখা কপি করতে চাচ্ছেন!! অনুগ্রহ করে তা থেকে বিরত থাকুন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।