1. kaium.hrd@gmail.com : ময়মনসিংহ লাইভ ডেস্ক : ময়মনসিংহ লাইভ ডেস্ক
দেশের প্রথম সাপের বিষের ডাটাবেজ উদ্ভাবন রাবি শিক্ষকের
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

দেশের প্রথম সাপের বিষের ডাটাবেজ উদ্ভাবন রাবি শিক্ষকের

ময়মনসিংহ লাইভ কর্তৃক প্রকাশিত
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯

দেশের প্রথম সাপের বিষের ডাটাবেজ তৈরি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু রেজা। ২০১০ সাল থেকে তিনি এবিষয়ে গবেষণা শুরু করেন। দেশের অভ্যন্তরে পাওয়া সাপগুলোর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নাম, খাদ্যভাস, প্রকার-প্রকৃতি, জীবনবৃত্তান্ত বিস্তারিতসহ প্রায় ৯ বছর ধরে সাপের বিষের উপর গবেষণা করে এই ডাটাবেজ তৈরি করেন তিনি।

অধ্যাপক ড. আবু রেজা জানান, বাংলাদেশে পাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির বিষাক্ত সাপ তার প্রত্যেকটির বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এই ডাটাবেজে। আমরা বিষাক্ত সাপগুলোর মধ্যে কি কি ধরনের বিষ এবং সেই বিষের গঠন আছে, বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্যগুলো নিয়ে এখানে সংরক্ষণ করেছি। প্রকৃতি, প্রকার অনুসারেই সেগুলো সাজানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠিত এই ডাটাবেজ (www.snakebd.com) ওয়েবসাইটটিতে পাওয়া যাবে।

ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা গেছে, কালনাগিনী, গোখরা, কালো হলুদ ব্যান্ড লাঠি, মোহনার লাঠি, শঙ্খীনি, ধামান, পাথরসহ প্রায় ৮৯টি সাপের বিষের বিস্তারিত তথ্য। কোন সাপের কামড়ে কি ধরনের ভেনোম ব্যবহার করা যাবে, কত ধরনের ভেনোম আছে তার সবই আছে সেখানে।

ডাটাবেজ তৈরির উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাপক ড. আবু রেজা বলেন, আমরা সাধারণত সাপের প্রোটিনের বিভিন্ন দিক খোঁজ করতে এনসিবিআইতে যাই। তার মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট ভেনোম বের করা কঠিন। আমাদের ডেটাবেজে গিয়ে যদি কার্ডওটক্সিন খোঁজে পেতে চাই সেটা খুব সহজ হবে। এখানে প্রায় ৩ শতাধিক সাপের ভেনোমের প্রোটিন বিশ্লেষন করে একটা কাঠামো দেখিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, জীবতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য গবেষকদের সহজলভ্য ডেটাবেজ এটি। যা সাপ নিয়ে গবেষকদের গবেষণায় সহায়তা করবে বলে আমার বিশ্বাস। শুধু বাংলাদেশ নয় বলতে গেলে পৃথিবীতে এই ধরনের ডেটাবেজ প্রথম তৈরি করেছি।

নিউজটি শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
Mymensingh-IT-Park-Advert
Advert-370
Advert mymensingh live
©MymensinghLive
প্রযুক্তি সহায়তা: ময়মনসিংহ আইটি পার্ক