1. kaium.hrd@gmail.com : ময়মনসিংহ লাইভ ডেস্ক : ময়মনসিংহ লাইভ ডেস্ক
ঘোড়ার গাড়িতে বেঁচে থাকার লড়াই
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন

ঘোড়ার গাড়িতে বেঁচে থাকার লড়াই

ময়মনসিংহ লাইভ কর্তৃক প্রকাশিত
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৯

যুগের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কমতি নেই উন্নয়নের। সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলছে উন্নয়ন কার্যক্রম। এরপরও কোথাও যেন একটু বাঁধা রয়েছে। সেটা অবশ্য প্রকৃতির বাঁধা। যেখানে মানুষ থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হন।

সেখানেই বড় অসহায় মানুষ। যেমন অসহায় চরাঞ্চলের মানুষগুলো। কারণ তারা প্রকৃতির সৃষ্টি বিশাল জলরাশি যমুনায় বেষ্টিত। ফলে তাদের জীবিকা নির্বাহের পথটাও সীমিত। তাই বলে বেঁচে থাকার লড়াইটা বন্ধ রাখলে তো আর চলবে না। বাঁচার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। ঘোড়ার গাড়িতে চলছে সেই লড়াই।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের রাস্তা-ঘাটে মানুষ ও নানা ধরনের নিত্য ব্যবহার্য মালামাল বহনে অসংখ্য ঘোড়ার গাড়ি নিয়মিত চলাচল করে থাকে। আর এ থেকে যে আয় আসে তা দিয়ে চরাঞ্চলের পাঁচ শতাধিক পরিবারের মত মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। নৌকায় ভেসে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক চরাঞ্চলের মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকেন।

আবার অনেকেই ব্যবসা ও বসতবাড়িসহ নানা ধরনের কাজে নৌকা করে পণ্য আনা নেওয়ার কাজ করেন। এসব মানুষ বা পণ্য বহনে ঘোড়া গাড়ি ব্যবহার করে চরাঞ্চলের মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া, মনসুর নগর, খাসরাজবাড়ী, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর, মাইজবাড়ী ও তেকানী ইউনিয়ন যমুনা নদী বেষ্টিত। এসব ইউনিয়নের ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকায় করে নানা ধরনের পণ্য ক্রয় করেন। এরপর সেসব পণ্য ঘোড়ার গাড়িতে করে স্ব স্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যান।

এছাড়া ইট, বালু, সিমেন্ট, ছন, পাট, কাঁঠাল, বাদাম, মরিচ, ধান, পাট, কাউন, ভুট্টাসহ মৌসুমী বিভিন্ন ধরনের মালামাল ঘোড়ার গাড়িতে বহন করে চরাঞ্চলের মানুষ। প্রতিটি ঘোড়ার গাড়ি ১৫-২০ মণ ওজন বহনে সক্ষম। গড়ে এসব গাড়ি দিনে প্রায় ৫০ কিলোমিটারের অধিক চরের বালুময় কাঁচা রাস্তা চলাচল করা যায়।

কাজিপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের জহুরুল ইসলাম, গোলাম হোসেন, আবুল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, হোসেনসহ একাধিক ঘোড়ার গাড়ির চালক জানান, নাটুয়াপাড়া, জর্জিরা, কুমারিয়াবাড়ীসহ একাধিক হাটবাজার কেন্দ্রিক তারা গাড়ি চালান। পণ্য বহনে কিলোমিটার প্রতি ৮-১০ টাকা হারে ভাড়া পেয়ে থাকেন।

প্রতিদিন প্রায় ৫০০-৬০০ টাকা আয় হয়ে থাকে। আর প্রত্যেকে ঘোড়ার পেছনে প্রতিদিন প্রায় ১০০-১৫০ টাকা খাওয়া বাবদ খরচ হয়। সবমিলিয়ে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে বর্তমানে তাদের জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তারা।

নিউজটি শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
Mymensingh-IT-Park-Advert
Advert-370
Advert mymensingh live
©MymensinghLive
প্রযুক্তি সহায়তা: ময়মনসিংহ আইটি পার্ক